প্রচারে বাড়ছে গোলযোগ, নাখোশ দলগুলো ইসিতে
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু হওয়ার পর সপ্তাহ না পেরোতেই দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপি, জামায়াত ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে নির্বাচনী সংঘর্ষ ও গোলযোগ বাড়ছে, যার ফলে অন্তত অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে বিরোধী দলগুলো প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নির্বাচন কমিশনে নালিশ জানালেও কমিশন সচিব 'লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড' নেই—এমন অভিযোগ অস্বীকার করে প্রার্থীদের নির্বাচনী তদন্ত কমিটির কাছে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এবং জনমনে আস্থা ফেরাতে ছোট-বড় সব অভিযোগ খতিয়ে দেখে নির্বাচন কমিশনের উচিত মাঠ প্রশাসনের ভূমিকা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা।
নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনে আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপির দলীয় প্রার্থী আনোয়ারুল হক আনু এবং বহিষ্কৃত 'বিদ্রোহী' স্বতন্ত্র প্রার্থী দাউদার মাহমুদের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও অভ্যন্তরীণ কোন্দল এক জটিল রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করেছে। বিএনপির এই শক্ত ঘাঁটিতে ধানের শীষের প্রার্থীর বিরুদ্ধে স্থানীয় ইমেজ ও জনসম্পৃক্ততাকে পুঁজি করে লড়ছেন দাউদার মাহমুদ, যার ফলে দলীয় ভোট দুই ভাগে বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর সমর্থনে ১০ দলীয় জোটের একক প্রার্থী এনসিপি নেতা এস এম জার্সিস কাদিরও সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন। হামলা-মামলা ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগে উত্তপ্ত এই নির্বাচনী মাঠে শেষ পর্যন্ত ধানের শীষ, স্বতন্ত্র ঘোড়া নাকি জোটের শাপলা কলি জয়ী হবে, তা নিয়ে স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।