ইনসাফভিত্তিক সমাজই আমাদের লক্ষ্য: ব্যারিস্টার আরমান| Jamaat | Election | Channel 24
জামায়াত আমির
মানুষ এমন নেতৃত্ব নির্বাচন করবে যারা বন্ধু খুঁজবে, প্রভু নয়
তিনি বলেন, ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে উঠলে কৃষক তার উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতভাবেই পাবে এবং মধ্যস্বত্বভোগীরা আর কৃষকের কপালে ভাগ বসাতে পারবে না। কৃষিপণ্য সংরক্ষণের অভাবে কৃষকরা বাধ্য হয়ে কম দামে পণ্য বিক্রি করে দেন। ক্ষমতায় গেলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আধুনিক সংরক্ষণাগার গড়ে তোলা হবে, যেন কৃষক তাড়াহুড়ো না করে ন্যায্যমূল্য পেতে পারেন। এতে সারাবছর দেশবাসী পুষ্টিকর ফল ও খাদ্য পাবে।
জামায়াত আমির বলেন, জনগণের ভোটে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে দেশের প্রতিটি জেলায় একটি করে মানসম্মত সরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা হবে। উন্নয়নের সুফল সবার ঘরে পৌঁছে দিতে বৈষম্যহীন নীতি অনুসরণ করা হবে এবং যারা দীর্ঘদিন বঞ্চিত ছিল, তাদের অধিকার সবার আগে নিশ্চিত করা হবে।
ঢাকা-৪ ও ৫ আসনে ভোটের পরিবেশ নিয়ে প্রার্থীদের উদ্বেগ ও প্রত্যাশা
নির্বাচন ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনাবলি, আচরণবিধি ও ভোটের পরিবেশ নিয়ে প্রত্যাশা ও মতামত তুলে ধরে ঢাকা-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ জয়নাল আবেদিন বলেন, গতকাল মিরপুরের পর চৌদ্দগ্রামে যে ঘটনা ঘটেছে, এ ধরনের ঘটনা যদি আরও ঘটতে থাকে, তাহলে নির্বাচনের জন্য যে পরিবেশ প্রয়োজন, জনগণ ও ভোটাররা যে পরিবেশ প্রত্যাশা করে, তা নিশ্চিত হবে না।
কেউ কেউ বসন্তকালে আইসা কুহু কুহু ডাক শুরু করে: জামায়াত আমির
জামায়াতে ইসলামীর আমির উত্তরবঙ্গের সফরে উত্তরবঙ্গের সার্বিক উন্নয়ন এবং বেকারত্ব দূরীকরণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, উত্তরবঙ্গকে একটি কৃষিভিত্তিক শিল্পের রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা হবে এবং বন্ধ থাকা চিনিকলগুলো পুনরায় চালু করে শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি নাগরিকদের কোনো বিশেষ 'কার্ড' বা দয়ার পাত্র না বানিয়ে প্রত্যেকের হাতে মর্যাদাপূর্ণ কাজ তুলে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। উন্নয়নের ক্ষেত্রে আঞ্চলিক বৈষম্য দূর করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, উন্নয়ন শুধু টেকনাফ কেন্দ্রিক হবে না, বরং তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ পর্যন্ত পুরো দেশে সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে।
তিনি দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় জোর দিয়ে বলেন, তিস্তা, ধরলা ও ব্রহ্মপুত্রের মতো নদীগুলো দেশের রক্তনালীর মতো, যা বর্তমানে অযত্নে মরুভূমিতে পরিণত হচ্ছে। নারী ও পুরুষ উভয়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি শক্তিশালী বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি তিনি 'বসন্তের কোকিল' রাজনীতিবিদদের কড়া সমালোচনা করেন। তিনি দাবি করেন, অনেক দল শুধু নির্বাচনের সময় জনগণের কাছে আসে, কিন্তু জামায়াতে ইসলামী সব সময় সাধারণ মানুষের সুখে-দুখে পাশে ছিল এবং আগামীতেও রাজপথে থেকে দেশের মানুষের জন্য লড়াই চালিয়ে যাবে।
‘প্রার্থীর ওপর হামলা চেষ্টা’: চকবাজার থানায় জামায়াত, বিষয়টি ‘অন্যরকম’ বলছে পুলিশ
ঢাকা-৭ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. এনায়াত উল্লার ওপর নির্বাচনি প্রচারের সময় হামলার চেষ্টার অভিযোগে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে, যেখানে দলটির নেতাকর্মীরা ধারালো অস্ত্রসহ দুজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করার পর চকবাজার থানার সামনে বিক্ষোভ করেন। জামায়াত প্রার্থী একে রাজনৈতিক হামলা ও প্রাণনাশের চেষ্টা হিসেবে দাবি করলেও পুলিশ জানিয়েছে যে, আটক ব্যক্তিরা কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নয়, বরং এক ব্যবসায়ীর দোকানে চাঁদাবাজির পরিকল্পনা করছিল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও জামায়াতের মধ্যে মতভেদ তৈরি হয়েছে এবং শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত থানার সামনে দলটির নেতা-কর্মীদের অবস্থান ও স্লোগান চলছিল।
বাস্তবিক কর্মসূচি নিয়ে জনগণের সামনে যাওয়া উচিত: শফিকুর রহমান
‘৭১ ইস্যুতে জামায়াতকে অপরাধী মনে করলে কেন জোটে গিয়েছিলো বিএনপি?’
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বিএনপি নেতা তারেক রহমানের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কিছু ঐতিহাসিক রাজনৈতিক তথ্য তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, যদি জামায়াতকে ৭১-এর ইস্যুতে অপরাধী মনে করা হয়, তবে কেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বা বেগম জিয়া বারবার জামায়াতের সমর্থন নিয়েছেন বা জোটে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ১৯৯১ সালে জামায়াতের ১৮টি আসনের নিঃস্বার্থ সমর্থনে বিএনপি সরকার গঠন করেছিল এবং তখন জিয়াউর রহমান বা বেগম জিয়া জামায়াতকে ব্রাত্য মনে করেননি ।
পরওয়ার আরও দাবি করেন যে, শেখ মুজিবুর রহমান নিজেই সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার মাধ্যমে ৭১-এর ইস্যুর মীমাংসা করে গেছেন, কিন্তু এখন রাজনৈতিক স্বার্থে সেই পুরনো ইস্যুকে আবার সামনে আনা হচ্ছে। তিনি বর্তমান এই রাজনৈতিক কৌশলকে 'ফ্যাসিবাদী ন্যারেটিভ' হিসেবে অভিহিত করে বলেন যে, সুবিধামতো কাউকে সঙ্গী বা জঙ্গি বানানো রাজনৈতিক প্রতারণার শামিল। সবশেষে তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন যে, স্বাধীনতার পর জামায়াত কখনো দেশের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে কোনো ভূমিকা রেখেছে এমন কোনো প্রমাণ কেউ দিতে পারবে না।
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বিএনপি নেতা তারেক রহমানের কাউকে 'মুশরিক' বা 'কাফের' বলার বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, একজন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে ধর্মীয় ফতোয়া দেওয়ার কোনো অধিকার তারেক রহমানের নেই এবং এটি চরম শিষ্টাচার বহির্ভূত একটি কাজ। ইসলাম অনুযায়ী একজন বিশ্বাসী মুসলিমকে কাফের বলা নিষিদ্ধ এবং এমন মন্তব্য করলে তা বক্তার দিকেই ফিরে আসে বলে তিনি হাদিসের উদ্ধৃতি দেন। লন্ডনে পড়াশোনা করার পর তারেক রহমানের কাছ থেকে এমন রাজনৈতিক অপরিপক্কতা তারা আশা করেননি বলেও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মূলত জামায়াতের পক্ষ থেকে এই ধরনের বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে এবং এটিকে একটি 'বড় অপরাধ' হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে ভোট দিতে প্রবাসীদের প্রতি জামায়াত আমিরের আহ্বান
প্রচারণায় ব্যস্ত ঢাকার দাঁড়িপাল্লার প্রার্থীরা; দিচ্ছেন নানান আশ্বাস
৫৪ বছরে যারা শাসন করেছে তারা কেউই দুর্নীতিমুক্ত দাবি করতে পারবে না: গোলাম পরওয়ার
জামায়াত আমিরের উত্তরবঙ্গ সফর শুরু
পঞ্চগড়ে জামায়াত জোটের জনসভায় বিপুল জনসমাগম
যারা দেশে আসার আগে দিল্লির কাছে দস্তখত দেয়, তাদের কাছে দেশ নিরাপদ নয়: রাশেদ প্রধান
১০ দলীয় ঐক্যের জনজোয়ারে একটি বড় দল ভয় পেয়েছে: নাহিদ ইসলাম
দখলদার-চাঁদাবাজদের বয়কট করতে হবে: সারজিস
উত্তরবঙ্গকে কৃষি শিল্পের রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: জামায়াত আমির
ঋণখেলাপিদের নিয়ে নির্বাচন করে দেশের স্বার্থরক্ষা সম্ভব নয়: কর্নেল বাতেন
গণঅধিকার পরিষদ ছেড়ে জামায়াতে যোগ দিলেন ১২ নেতাকর্মী
‘১০ দলীয় জোটের সমর্থনের কারণে প্রথম দিনেই খেই হারিয়ে ফেলেছেন
১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের নেতা আতিকুর রহমান তাঁর বক্তব্যে বিএনপি নেতা তারেক রহমানের কঠোর সমালোচনা করে বলেন যে, দীর্ঘ ১৭ বছর লন্ডনে আয়েসে থাকার কারণে তিনি জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন এবং তাঁর রাজনৈতিক ভাষা বর্তমানে অনেকটা শেখ হাসিনার সুরের মতো শোনাচ্ছে। তারেক রহমানের ধর্মীয় ফতোয়া দেওয়ার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি একে রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত হিসেবে বর্ণনা করেন। বক্তা দুর্নীতিমুক্ত ও আধিপত্যবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ১০ দলীয় জোটের লক্ষ্য তুলে ধরেন এবং ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী নাহিদ ইসলামকে পূর্ণ সমর্থনের ঘোষণা দেন। মূলত চব্বিশের বিপ্লবের শহীদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন ও যেকোনো ধরনের ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধের বার্তা দেওয়াই ছিল এই বক্তব্যের প্রধান দিক।
জামায়াত আমির আজ ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনি জনসভা করবেন
জুলাই–পরবর্তী কার্যক্রম দেখে ভোট দেওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের
নির্বাচন কমিশন একটি দলের পকেটে ঢুকে গেছে: জামায়াত নেতা রফিকুল
কাজ শেষ হয়নি কেবল শুরু হয়েছে, যুবকদের উদ্দেশে জামায়াত আমির
জামায়াতে যোগ দিলেন ইসলামী আন্দোলনের ২২ নেতাসহ ৫৫ জন
নারীদেরকে মাথার তাজ হিসেবে তুলে রাখবো: জামায়াত আমির
জামায়াতে ইসলামীর আমির নারীদের সমাজের 'মাথার তাজ' হিসেবে অভিহিত করে তাঁদের পূর্ণ নিরাপত্তা ও সম্মান দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, বর্তমানে নারীরা ঘরে, যাতায়াতে কিংবা কর্মক্ষেত্রে কোথাও নিরাপদ নন, যা পরিবর্তন করে তাঁর দল একটি নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ সমাজ উপহার দিতে চায়। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারীদের ঘরে বন্দি করে রাখা হবে—বিপক্ষ শক্তির এমন দাবিকে তিনি অপপ্রচার বলে আখ্যা দেন এবং এর প্রমাণ হিসেবে সাম্প্রতিক বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ নির্বাচনগুলোতে ছাত্রীদের বিপুল সমর্থনের কথা উল্লেখ করেন। তিনি ইসলামের ইতিহাসের হযরত সুমাইয়া (রা.) এবং হযরত নুসাইবা (রা.)-এর বীরত্বগাথা তুলে ধরে নারীদের সাহস ও ত্যাগের গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেন। পরিশেষে, চব্বিশের আন্দোলনে নারীদের ভূমিকার প্রশংসা করে আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারির 'ভোট যুদ্ধে' তাঁদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।