ব্যারিস্টার আরমান

আমাকে নামাজের সময় বলা হতো না, দিন না রাত বুঝতে পারতাম না

উত্তরবঙ্গের ৮ জেলা সফরে যাচ্ছেন জামায়াত আমির

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিন আগামী শুক্র ও শনিবার উত্তরবঙ্গের আটটি জেলায় নির্বাচনি সভা করবেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

ঢাকায় আমিরের জনসভা নিয়ে যা জানাল জামায়াত | Ahsanul Mahboob Zubair | Jamaat Ameer | Somoy TV । আগামীকাল ঢাকা ১৫ আসনে নির্বাচনী জনসভা করবে জামায়াত । এরপর উত্তারঞ্চলে যাবে জামায়াত আমীর।

আগামী নির্বাচনটা খুব চ্যালেঞ্জিং হবে: সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের | Taher | Jamaat | Channel 24 । ডা: তাহের বলেন, গণ অভ্যুত্থানের প্রতিনিধিত্বকারী দল অমাদের সাথে আছে। দেশের ৪ কোটি তরুণ ভোটার আমাদের সাথে আছে।

জসীমউদ্দীন সরকার

কোনো ভোটারের এনআইডি সংগ্রহ বা কাউকে টাকা দেয়নি জামায়াত

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে নির্বাচনি পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ঢাকা-১০ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট জসীমউদ্দীন সরকার। পাশাপাশি ভোটারদের জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল ফোন নম্বর সংগ্রহ এবং অর্থ লেনদেনের বিষয়ে জামায়াত প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।

হারলেও ফুলের তোড়া নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীর বাসায় যাবো: শিশির মনির

সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিশির মনির বলেছেন, নির্বাচনে তিনি হারলেও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বাসায় একটি বড় ফুলের তোড়া নিয়ে যাবেন। একইভাবে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হারলে যেন তার বাড়িতেও ফুলের তোড়া নিয়ে আসেন, সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

নির্বাচনি আচরণবিধি প্রয়োগে সমতার অভাব রয়েছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

নির্বাচনি আচরণবিধি প্রয়োগে সমতার অভাবের অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

তিনি বলেন, চোখের চোখটা সমান হওয়া দরকার। আমরা দেখছি, কিছু প্রার্থী প্রকাশ্যে সমাবেশ করছেন, প্রতীক প্রদর্শন করছেন এবং নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করছেন। অথচ এসব ঘটনায় কোনো শোকজ বা নিষেধাজ্ঞার খবর নেই।

উত্তরাঞ্চল দিয়ে প্রচারণায় নামছেন জামায়াত আমির, ব্যাপক প্রস্তুতি| Shafiqur Rahman |Jamaat | Somoy TV । জামায়াত আমিরের সফর উপলক্ষে রংপৃুর, দিনাজপুর আঞ্চলের সমর্থকদের মধ্যে বিরাজ করছে উৎসাহ উদ্দীপনা। এর মধ্যে আগামীকাল বৃহস্পতিবার আমিরে জামায়াতের নিজের আসন, ঢাকা-১৫ তে প্রচারণা করবেন। এর পর ‍দিন যাবেন উত্তরাঞ্চলে।

‘নারীদের দিয়ে আগাম প্রচারণার অভিযোগ পুরোপুরি অসত্য’

জামায়াতের প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে এনসিপির মিতুর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার

৫ লাখ স্নাতকধারী বেকারকে বিনা সুদে ঋণ দেবে জামায়াত

অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করার আহ্বান

জামায়াত আমির তারা: আমাদের মা-বোনের গায়েও হামলা করেছে, তাদের কি মা-বোন নেই

নারী কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ঢাকায় জামায়াতের বিক্ষোভ

জামায়াতের সঙ্গে কোনো সন্ত্রাসী আচরণ করা হলে দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে

What is Bangladesh’s Jamaat-e-Islami party? Could it lead the country next?

প্রতিবেদনটিতে বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান এবং সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে যে, দীর্ঘ ১৫ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের দমন-পীড়নের পর ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে জামায়াত এখন একটি শক্তিশালী প্রতিযোগী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। প্রথমবারের মতো দলটি এককভাবে বা নেতৃত্বদানকারী জোট হিসেবে ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখছে।

মূল বিষয়সমূহ: ১. রাজনৈতিক জোট: জামায়াত এবার ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি) এবং অন্যান্য ছোট ছোট ইসলামপন্থী দলগুলোর সাথে নির্বাচনী জোট গঠন করেছে। ২. জনপ্রিয়তা ও সমীক্ষা: সাম্প্রতিক বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা গেছে, জামায়াত ও বিএনপির মধ্যে জনপ্রিয়তার পার্থক্য খুবই সামান্য। ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (IRI) সমীক্ষা অনুযায়ী বিএনপির সমর্থন ৩৩% এবং জামায়াতের ২৯%। ৩. ইমেজ পরিবর্তন: জামায়াত নিজেকে একটি 'মডারেট' বা মধ্যপন্থী ইসলামপন্থী শক্তি হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। বৈচিত্র্য আনতে এবার তারা প্রথমবারের মতো একজন হিন্দু প্রার্থীকেও মনোনয়ন দিয়েছে। ৪. চ্যালেঞ্জ: বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াতের অতীতের ভূমিকা (বিশেষ করে ১৯৭১ সাল) এবং তাদের আদর্শিক অবস্থান এখনো অনেক ভোটারের মধ্যে দ্বিধা তৈরি করে। এছাড়া জামায়াত ক্ষমতায় এলে ভারতের সাথে সম্পর্কের সমীকরণ কী হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। ৫. নির্বাচনী

How an Islamist party is gaining ground in Bangladesh, worrying moderates

দীর্ঘ দেড় দশকের দমন-পীড়ন কাটিয়ে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী একটি প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে শক্তিশালীভাবে ফিরে এসেছে। আওয়ামী লীগ বিহীন আসন্ন নির্বাচনে দলটি তৃণমূল পর্যায়ে তাদের সুশৃঙ্খল সাংগঠনিক কাঠামো ব্যবহার করে জনসমর্থন বাড়াতে সক্ষম হয়েছে, যা অনেক বিশ্লেষকের মতে তাদের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জামায়াত নেতারা এখন নিজেদের একটি স্বচ্ছ এবং দুর্নীতিমুক্ত বিকল্প হিসেবে উপস্থাপন করছেন, যা অনেক সাধারণ ভোটারকে আকৃষ্ট করছে।

তবে জামায়াতের এই দ্রুত উত্থান বাংলাদেশের ধর্মনিরপেক্ষ সমাজ ও মধ্যপন্থীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সমালোচকরা আশঙ্কা করছেন যে, ইসলামপন্থী এই শক্তি ক্ষমতায় এলে দেশের আইনি কাঠামোয় কট্টর ধর্মীয় প্রভাব পড়তে পারে এবং নারী অধিকার ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার পরিসর সংকুচিত হতে পারে। এছাড়া দলটির অতীত ইতিহাস এবং আদর্শিক অবস্থানের কারণে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রেও নতুন ধরনের টানাপোড়েন তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা দেখছে আন্তর্জাতিক এই সংবাদমাধ্যমটি।