জামায়াতে ইসলামী

তরুণদের ভোট টানতে অনলাইন প্রচারে জোর

দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় রাজনৈতিক চাপে থাকার পর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবারের নির্বাচনকে নিজেদের অস্তিত্ব পুনরুদ্ধার ও জনপ্রিয়তা প্রমাণের চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে, যেখানে তাদের প্রচার কৌশলে 'জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা' এবং তরুণ ভোটারদের আকৃষ্ট করতে অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দলীয় আমির শফিকুর রহমান আগামী ২২ জানুয়ারি ঢাকা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার শুরু করবেন এবং উত্তরবঙ্গে বিভিন্ন জনসভাসহ শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের কাছে বিশেষ বার্তা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। প্রথাগত পোস্টার-ব্যানারের পাশাপাশি ফেসবুক ও ইউটিউবে স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিও এবং গ্রাফিকসের ব্যবহার, তৃণমূল পর্যায়ে পুরোনো ও পরীক্ষিত 'উঠান বৈঠক' কৌশল এবং মহিলা বিভাগের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নারী ভোটারদের উৎসাহিত করার ওপর জোর দিচ্ছে দলটি। এছাড়া, দুর্নীতি বিরোধী কঠোর অবস্থান, সংখ্যালঘু ও নারীদের নিরাপত্তা এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের সংস্কারকে প্রাধান্য দিয়ে একটি আধুনিক ও জনমুখী নির্বাচনী ইশতেহারের মাধ্যমে ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টা করছে জামায়াত।

জামায়াত জোটের বাকি ৪৭ আসনের ভাগাভাগি কতদূর? ইশতেহার কীভাবে?

জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ তাদের চূড়ান্ত আসন ভাগাভাগি ও যৌথ ইশতেহার প্রণয়নের কাজ গুছিয়ে আনছে। মূলত ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জোটে না থাকায় অবশিষ্ট ৪৭টি আসন জামায়াত, এনসিপি এবং দুই খেলাফত মজলিসের মধ্যে নতুন করে বণ্টনের প্রক্রিয়া চলছে, যা ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময়ের আগেই চূড়ান্ত হতে পারে। পাশাপাশি, জোটের শরিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সমন্বয় কমিটির মাধ্যমে যৌথ নির্বাচনী ইশতেহার তৈরির আলোচনা চলছে, যেখানে জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা, রাষ্ট্র সংস্কার, সুশাসন এবং অর্থনৈতিক মুক্তির বিষয়গুলো প্রাধান্য পাবে।

শাকসু: এবার ভোটে দায়িত্ব পালনের কথা বললেন জামায়াতপন্থি শিক্ষকরা

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ বা শাকসু নির্বাচনে বিএনপিপন্থি আট শিক্ষকের পদত্যাগের ঘোষণার পরপরই জামায়াতে ইসলামীপন্থি শিক্ষকরা নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের ঘোষণা দিয়েছেন। সোমবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে ‘ইউনিভার্সিটি টিচারস লিংক (ইউটিএল)’-এর শাবিপ্রবি শাখার সদস্যসচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, তারা নির্ধারিত সময়ে অর্থাৎ আগামীকাল মঙ্গলবারই ভোট চান এবং সেই নির্বাচনে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। এর আগে বিএনপিপন্থি শিক্ষকরা প্রশাসনের আচরণে বিব্রতবোধ করে নির্বাচন কমিশন থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছিলেন। মূলত শাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে দুটি ভিন্ন অবস্থানের সৃষ্টি হয়েছে।

দ্বৈত নাগরিকত্ব-খেলাপি প্রশ্নে প্রধান উপদেষ্টার কাছে অভিযোগ জামায়াতের

ভোট হওয়া নিয়ে আশাবাদী জামায়াত

ডাঃ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের তার বক্তব্যে জানান যে, জুলাই বিপ্লবের সংস্কারগুলো বাস্তবায়নের লক্ষে তারা একটি বৃহত্তর নির্বাচনী ঐক্য গঠন করেছেন। তিনি বিএনপিকে সংস্কারের বিরোধী হিসেবে উল্লেখ করে বলেন যে, জোটবদ্ধ শক্তির মাধ্যমেই তারা নির্বাচনে জয়ী হতে চান। এছাড়াও তিনি নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতিত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং স্পষ্ট করেন যে, ২০০৮ সালের মতো কোনো প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন তারা মেনে নেবেন না।

ছাত্রদল হারের ভয়ে শাকসু নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার চক্রান্তে লিপ্ত: শিবির

পাতানো নির্বাচন হলে জামায়াত মেনে নেবে না: আব্দুল্লাহ তাহের | Jamaat-e-Islami | Ekattor TV

ডা. তাহের বলেন, ২০০৮ এর মতো কোন নির্বাচন জামায়াত মেনে নেবে না। আমরা প্রধান উপদেষ্টাকে বলে এসেছি বিষয়গুলো। ওনি বলেছেন, বিষয়গুলো ব্যবস্থা নিবেন ।