ইসিতে মির্জা ফখরুল

জামায়াতের কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিকাশ নম্বর এনআইডি সংগ্রহ করছে

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘নির্বাচন কমিশনের কতিপয় সিনিয়র কর্মকর্তাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে আমরা অভিযোগ পেয়েছি, তাঁরা কোনো একটি নির্দিষ্ট দলের পক্ষে কাজ করছেন। নির্বাচন কমিশন অনেক ক্ষেত্রেই পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে।’ গতকাল রবিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে যায় বিএনপি মহাসচিবের নেতৃত্বে  একটি প্রতিনিধিদল। তারা সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টা বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে।

নির্বাচনি ব্যয় মেটাতে কর্মীদের এক মাসের বেতন চাইল জামায়াত!

রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনটি পুনরুদ্ধারে দলটির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মজিবুর রহমানকে বিজয়ী করতে ব্যাপক নির্বাচনি তহবিল সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জামায়াতের সদস্য ও রোকনদের কাছ থেকে ‘নির্বাচনি ওয়াদা’ হিসেবে মোটা অঙ্কের টাকা সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে গুঞ্জন উঠেছে।  গোদাগাড়ী উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে বিশাল ব্যয় সামাল দিতে জামায়াত অভ্যন্তরীণভাবে একটি বড় তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কোকোকে নিয়ে আমির হামজার বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর নাম বিকৃত করে বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কুষ্টিয়া সদরে জামায়াতের প্রার্থী মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে। বক্তব্যের ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবাদ জানায় ছাত্রদলের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। এ ছাড়া কুষ্টিয়ায় ঝাড়ু মিছিল ও দিনাজপুরে প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়।

ভোটযুদ্ধে পিছিয়ে পড়ল চরমোনাই-জামায়াত

জোট ভেঙে যাওয়ায় ভোটযুদ্ধ থেকে পিছিয়ে পড়েছে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন ও জামায়াতে ইসলামী। বরিশালের ২১টি নির্বাচনি এলাকার যে ৭টিতে বিএনপির সঙ্গে তাদের কঠিন লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা ছিল, সেসব আসন থেকেই এমন খবর পাওয়া গেছে। বাকি ১৪টিতেও থমকে গেছে এ দুই দলের ভোটযুদ্ধের দাপট। পরিস্থিতি এমন-পুরো বরিশাল বিভাগে তারা এখন হাতে গোনা ২/১টি আসন পাবে কি না, তা নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে। তবে এর বিপরীতে এসব আসনে জয়ের সম্ভাবনা আগের তুলনায় দ্বিগুণ হয়েছে বিএনপি তথা ধানের শীষ প্রার্থীদের।

আমির হামজার বিরুদ্ধে খুলনায় মামলা

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ফেসবুক আইডির মাধ্যমে প্রচারিত মুফতী আমির হামজার একটি ওয়াজ মাহফিলে আরাফাত রহমান কোকোকে নিয়ে কটূক্তিমূলক বক্তব্য দেওয়া হয়। এতে কোকোর পরিবার, বিএনপির নেতাকর্মী এবং সংশ্লিষ্টদের মানহানি ও ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।