হেভিওয়েট ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী নিয়ে বিএনপিতে অস্বস্তি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হেভিওয়েট ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীদের নিয়ে কিছুটা অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বিএনপিতে। এসব প্রার্থীর কেউ কেউ দল থেকে বহিষ্কৃত এবং তারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আবার মিত্রদের ছেড়ে দেওয়া আটটি আসনে কেউ কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় এ অস্বস্তি আরও বেড়েছে।
আচরণবিধি লঙ্ঘন : চট্টগ্রাম-২ আসনের বিএনপি প্রার্থীকে শোকজ
এতে উল্লেখ করা হয়, প্রতীক বরাদ্দের পূর্বেই সরোয়ার আলমগীর ফটিকছড়ির বিভিন্ন এলাকায় ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের পক্ষে ভোট চেয়ে সভা, সমাবেশ ও প্রচারণা চালিয়েছেন। পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে সংশ্লিষ্ট প্রচারণার ভিডিও পাওয়া গেছে। এসব কর্মকাণ্ড নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা ২০২৫-এর ৩, ১৬, ১৮ ও ২৭ বিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন। এ কারণে আগামী ১৮ জানুয়ারি সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে সশরীর উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে প্রার্থীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফটিকছড়ির সিনিয়র সিভিল জজ আদালনে স্থাপিত অস্থায়ী কার্যালয়ে তাকে হাজির হতে বলা হয়েছে।
‘এক আসনের চাঁদাবাজির টাকা দিয়েই গণভোট করা যায়’| Antorjale Vote | Ekhon TV
বিএনপি প্রার্থীর নামে অভিযোগ করায় আপিলকারীকে ইসিতে বেধড়ক মারধর
আপিলকারীর পক্ষে আইনজীবী হিসেবে শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার এম এম শফিউল্লাহ। তিনি বলেন, ‘ফাহিম চৌধুরীর লোকজন আমার ওপর চড়াও হয়। উনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক ছিলেন। উনি সঠিকভাবে তথ্য দেননি। ওনার মনোনয়নপত্র বৈধ হওয়ার কোনো সুযোগ নাই। উনি যা বলবেন আপিল শুনানিতে বলবেন। অথচ আমি একজন আইনজীবী, আমার ওপর চড়াও হচ্ছে। এছাড়া আমাদের একজনকে ইসি চত্বরে বেধড়ক মারা হলো।’
এ নিয়ে জানতে চাইলে বিএনপি নেতা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, ‘ইয়াজ আমাদের প্রার্থীর বিরুদ্ধে আজেবাজে কথা বলছে। আমাদের প্রার্থী দ্বৈত নাগরিক ছিলেন, কিন্তু প্রত্যাহার করেছেন। আমরা আক্রমণ করি নাই। আমি ঠেকাইছি। ইয়াজকে কে মেরেছে আমরা জানি না।’
বিএনপিতে যোগ দিলেন জাতীয় পার্টির শতাধিক নেতাকর্মী
নেত্রকোনায় জাতীয় পার্টির শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান করেছেন। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সদর-বারহাট্টা আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর অফিসে তারা যোগদান করেন।
পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড জাতীয় পার্টির সভাপতি আব্দুল আজিজের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা যোগদান করেছেন। এ সময় তাদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়।